গাজার কমপক্ষে ৯৪% হাসপাতাল পুরোপুরি ধ্বংস || শাহরিয়ার সোহাগ
গাজা উপত্যকায় অন্তত ৯৪ শতাংশ হাসপাতাল আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, যার অর্ধেক বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে অচল। সহিংসতা আরও তীব্র হওয়ায় গাজার ইতিমধ্যেই দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন চূড়ান্ত ভাঙনের মুখে পড়েছে। গত এক সপ্তাহে গাজার চারটি প্রধান হাসপাতাল আক্রমণ বা জোরপূর্বক স্থানান্তরের নির্দেশনার কারণে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ৭০০ হামলার মধ্যে মাত্র গত এক সপ্তাহেই ৪ শতাংশ ঘটেছে।” তিনি বলেন, “মাত্র সাত দিনেই ২৮টি হামলা হয়েছে, যা প্রতিদিনের গড় হামলার তুলনায় চারগুণ বেশি।
বৃহস্পতিবার আমরা প্রায় ১০০টি পূর্ণ ট্রাক পণ্য করিম শালোম ক্রসিংয়ে পৌঁছে দিয়েছি এবং ফিলিস্তিনি অংশ থেকে প্রায় ৩৫টি ট্রাক তোলা হয়েছে, যেগুলো গাজার মানুষের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে পাঠানো হয়েছে। রাতে বেকারির জন্য পাঠানো ১৫টি খাদ্যসামগ্রীর ট্রাক লুটপাট হয়েছে। “ক্ষুধা, বঞ্চনা এবং খাবার আসবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা-এসবই নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তুলছে,” বলেন হক।
বেশি পরিমাণে, দ্রুত এবং নিরাপদ পথে আরও ধারাবাহিক মানবিক সহায়তা প্রবাহের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
অধিকৃত পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়েও জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করে। রামাল্লাহর কাছে বসবাসকারী একটি সম্পূর্ণ বেদুইন সম্প্রদায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতায় তাদের ঘরবাড়ি গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। ১৩ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অন্তত ২৮টি বসতি স্থাপনকারী হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেগুলোর ফলে মানুষ হতাহত হয়েছেন, সম্পদ নষ্ট হয়েছে বা উভয় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।



No comments